Posts

রিভিউ | কাঠগড়া - লেখক সামসুল ইসলাম রুমি | Kathgora by Shamshul Islam Rumi

Image
বইঃ কাঠগড়া লেখকঃ সামসুল ইসলাম রুমি জনরাঃ লিগ্যাল থ্রিলার প্রকাশনীঃ বাতিঘর প্রকাশনী  প্রথম প্রকাশঃ অমর একুশে বইমেলা ২০২৩  ব্যাক থেকে:  ফিজি জুস কারখানায় লাগা ভয়াবহ এক আগুনে প্রাণ হারিয়েছে অর্ধশতাধিক লোক। আহত হয়েছে আরও অনেকে। এদিকে এই আগুন অনেকের মনে ক্ষোভ জ্বেলে দিয়েছে, কেউ কেউ এই মানুষ পোড়া গন্ধেও খুঁজছে স্বার্থের তুষ্টি। কেউবা ব্যস্ত নিজের পিঠ বাঁচাতে। আর আইনজীবী শাহীনুর রায়হান ব্যস্ত এই ঘোলাটে কেস নিয়ে। কিছু অপরাধ দিনের আলোতে ঘটলেও ঘেরা থাকে অথৈ আঁধারে। সেসবের সমাধান হয় আদালতের গণ্ডিতে, কিংবা হয়ই না। কাঠগড়া তেমনই এক আখ্যান, যাতে উঠে এসেছে আদালত কক্ষের সমস্ত জঞ্জাল। পাঠ-প্রতিক্রিয়া : "চিঠি এলো জেলখানাতে অনেক দিন পর হায়রে অনেক দিন পর" সালমান শাহ'র কান্নাজড়ানো এই গানটা নিশ্চয় সবাই শুনেছেন? জেলখানায় বসে গানটা গেয়েছিলেন উনি। তা বাংলাদেশ এর আইন ব্যাবস্থায় আপনাকে কোনো দোষে দোষী সাব্যস্ত করার আগে ও পরে একটা আনুষ্ঠানিকতার মাঝ দিয়ে যেতে হয়।যার নাম হলো আদালত! আদালতের মারপ্যাঁচ বড্ড কঠিন। এখানে চাইলেই জীবিত আপনাকে সঠিক প্রমানাদির মাধ্যমে মৃত ঘোষণা করে দেওয়া যেতে পারে।আবা...

Deyal By Humayun Ahmed PDF Download | দেয়াল উপন্যাস পিডিএফ

Image
উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের পটভুমিতে রচিত। এখানে লেখক বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে সমসাময়িকভাবে নিজেকেও উপস্থাপন করেছেন। এই উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র হল: অবন্তি, শফিক, সরফরাজ খান, ইসাবেলা, পীর হামিদ কুতুবি, ক্যাপ্টেন শামস, হাফেজ জাহাঙ্গীর, মেজর ফারুক, মেজর ইশতিয়াক,  শেখ মুজিবুর রহমান ,  খালেদ মোশাররফ ,  সৈয়দ নজরুল ইসলাম ,  জিয়াউর রহমান ,  কর্নেল তাহের ,  মোশতাক আহমেদ ,  তাজউদ্দিন আহমেদ ,  সৈয়দ নজরুল ইসলাম , ডোরা রাসনা, ছানু ভাই, আওয়ামী লীগার মোজাম্মেল, মেজর নাসের,  মেজর রশীদ ,  আন্ধা পীর ,  মেজর ডালিম , ভারতীয়  গুপ্তচর কাও , রাধানাথ, চা বিক্রেতা কাদের মোল্লা,  শামীম শিকদার  প্রমুখ। [৩]  - Source | Wikipedia  বইয়ের নাম:দেয়াল লেখক:হুমায়ূন আহমেদ  প্রকাশক: অন্যপ্রকাশ মুদ্রিত মূল্য:৪৫০ বিদ্যা বিচিত্রা মূল্য:৩১৫ টাকা দেয়াল উপন্যাস পিডিএফ ডাউনলোড করুন                         "নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান       ...

দুনিয়া এক গুচ্ছ মরীচিকা | Dunia Ak Gusso Morichika

Image
দুনিয়া নামক এই ট্রেনে উঠে প্রকৃত গন্তব্যের স্থান ভুলে গেছি আমরা। আমরা এই দুনিয়ার চাকচিক্যে মরিয়া হয়ে গেছি আজ। দুনিয়ায় আগমনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে, আমরা আজ ব্যস্ত দুনিয়াবী সফলতার মোহে, আমরা ব্যস্ত দুনিয়ার প্রতিপত্তি অর্জনের প্রতিযোগিতায়। পুরো দিন টা জুড়ে আমাদের পার্থিব কাজে ব্যস্ততার শেষ নেই। আমরা ছুটছি অর্থ অর্জনের নেশায় আর জোগাড় করছি দুনিয়ার পাথেয়। দুনিয়ামুখী আমাদের কে দুনিয়ার প্রকৃত স্বরূপ দেখাতে পারে শাইখ আব্দুল মালিক আল কাসিমের “দুনিয়া এক ধূসর মরীচিকা” বইটি। বইকথন প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চোখে কেমন ছিল দুনিয়া? সালাফগণের দুনিয়া নিয়ে ভাবনা কেমন ছিল? কেমন ছিল তাঁদের দুনিয়ার জীবনযাপন? দুনিয়ার প্রকৃত স্বরুপ কেমন? এসকল কিছু সম্পর্কে লেখক সুন্দর, সহজ আর চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন বইটিতে। দুনিয়ার প্রকৃত পরিচয় দিয়ে লেখক খুব সুন্দর করে আমাদের কে ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ার উদ্দেশ্য কে যেন চোখের সামনেই উন্মোচন করেছেন। সালফে সালেহীনদের দৃষ্টিতে দুনিয়ার এই মোহ থেকে বাঁচার উপায়ও তুলে ধরেছেন বইটিতে। দুনিয়ার প্রতিযোগিতার এই ময়দান থেকে বের হয়ে বান্দাকে রবের সন্তুষ্টি অর্জনের পথ দেখি...

সাজঘর PDF ✓হুমায়ূন আহমেদ

Image
বই:সাজঘর লেখক: হুমায়ূন আহমেদ প্রকাশক: প্রতীক প্রকাশক সংস্থা মুদ্রিত মূল্য:১৬০ টাকা বিদ্যা বিচিত্রা মূল্য:১০৪ টাকা পৃথিবীর মতো,চৈত্র মাসের চাঁদের মতো, গহীন অরণ্যের মতো মানুষও রহস্যময়। পৃথিবীটা একটা অভিনয়ের মঞ্চ আর সেই মঞ্চের অভিনেতা হলো মানবজাতি।আমরা যা করি সবই খুব সাজানো গোছানো নিখুঁত অভিনয়। বিভিন্ন জন বিভিন্ন ধরনের চরিত্র নিয়ে অভিনয় করে যাচ্ছি আমরা।মানুষের এই চরিত্রগুলো লেখক হুমায়ূন আহমেদ তার উপন্যাসগুলোতে বেশ ভালো ভাবে তুলে ধরেন।মানবজাতির নানাবিধ এই অভিনয় নিয়েই "সাজঘর" উপন্যাসটি রচিত। সাজঘর উপন্যাসটিতে হুমায়ূন আহমেদ তার অসাধারণ লেখনীর ধারা ফুটিয়ে তুলেছেন এক ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী। গল্পের শুরুতেই মজনু নামক ১৩/১৪ বছরের ছেলেটির বর্ননা দেওয়া হয়েছে। যার জীবনের পুরোটাই ঘিরে আছে 'পূর্বা নাট্যদল' কে কেন্দ্র করে। হয়তো সে গল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কেউ নয় তবুও সে জীবনের নাটকে এক পোর খাওয়া সৈনিক,যে প্রতিভাবান হওয়া সত্ত্বেও অবাঞ্ছিত। নাটকের প্রধান চরিত্র আসিফ আর তার স্ত্রী লিনার জীবনটা এক জটিল সমীকরণের ন্যায় কঠিন।দুর্দান্ত ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও আস...

রিভিউ | অশনি সংকেত PDF - বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়

Image
বই: অশনি সংকেত লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় রিভিউ: বীথি আক্তার এক বেলা খেতে না খেতেই আর এক বেলা কী খাওয়া হবে সে চিন্তা। আবার কখনো পেট পুরে তো কখনো আধ পেট খেয়ে থাকা। কিন্তু কেমন হবে/হয় যদি বাজার থেকে কেনার সামর্থ্য আছে অথচ বাজারেই চাল নেই; সর্বত্র চালের আক্রা! কেরোসিন নেই! দেশলাই নেই! চারপাশে শুধু নেই নেই হাহাকার। আর এই হাহাকার খুব অল্প সময়ে পটভূমি পরিবর্তন করে দেয়, অবস্থাপন্ন মানুষকেও বাধ্য করে অন্যের দোরে হাত পাততে। ভাবনার মানস চোখে আঁকা এসব দৃশ্যপটকে জীবন্ত অনুভব করতে চাইলে পড়তে পারেন বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের 'অশনি সংকেত'।  ১৯৪৩ বাংলা ১৩৫০, বাংলার ইতিহাসে কুখ্যাত মন্বন্তর হিসেবে খ্যাত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাব সর্বত্র। ব্রিটিশ সরকার সেনাবাহিনীর জন্য অতিরিক্ত খাদ্য সংগ্রহ করছে, চালান বন্ধ আর সেসবের প্রভাবে বাংলার গ্রাম অঞ্চলে দেখা দেয় তীব্র খাদ্য সংকট। লাখ লাখ মানুষ অনাহারে অর্ধাহারে শুকিয়ে অকালে ঝরে যায়। এ সময় "পথের পাঁচালি" খ্যাত বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় কলমের ডগায় চিত্রিত করেন দুর্ভিক্ষের জীবন্ত আখ্যান 'অশনি সংকেত'। উপন্যাসটি ১৩৫০-৫২ বঙ্গাব্দে 'মাত...

বুক রিভিউ | বইয়ের নাম অপেক্ষা - লেখক হুমায়ূন আহমেদ

Image
❝প্রকৃতি যাকে দেবার তাকে উজাড় করেই দেয়, যাকে দেবার না তাকে কিছুই দেয় না❞। ইমনের মা সুরাইয়া সাধারণ বাঙালী নারীদের মতোই গৃহিণী এবং বাবা হাসানুজ্জামান চাকুরীজীবি। ইমনের দাদী আকলিমা বেগম এবং চাচা ফিরোজসহ পাঁচজনের পরিবার।  গল্পের শুরুর দিকে দেখা যায় সুরাইয়া বেগমের সুখের সংসার। স্বামী হাসানুজ্জামান অফিসে রয়েছে। সুরাইয়া অন্তঃসত্ত্বা, এই সুখবরটা দেয়ার জন্য ফোন করে স্বামীকে কিন্তু কথার মাঝে আসল কথাটাই চাপা পড়ে যায়। সময় টেনেহিঁচড়ে ধরে আনে সন্ধ্যাকে অথচ হাসানুজ্জামান এখনও বাসায় ফিরছে না।  সূচনা হয় অপেক্ষার। রাতকে বিদায় জানিয়ে ভোর আসে কিন্তু হাসানুজ্জামানের হদিস নেই। দিন যায়, সপ্তাহ যায়, মাস যায় হাসানুজ্জামান আসে না। এদিকে সুরাইয়া বেগমের দৃঢ় বিশ্বাস তার স্বামী একদিন ফিরে আসবে। পরিবারের নতুন সদস্যের আগমন ঘটে। তার নাম রাখা হয় সুপ্রভা। সুরাইয়া বেগম ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বড় ভাই জামিলুর রহমানের বাড়িতে থাকতে শুরু করে। জামিলুর রহমানের তিন সন্তান। দুই ছেলে শোভন ও টোকন এবং মেয়ে মিতু। সুরাইয়া বেগম পুরোপুরি বদলে যায়। মেজাজ হবে ওঠে খিটখিটে। সন্তানদের সাথে খারাপ আচরণ শুরু করে। একটুতেই রেগে ওঠে। কাজ হিসে...

প্রতিদিন সন্তানের সঙ্গে আর্দশ সময় কাটান

Image
মোবাইল বন্ধ করে, কম্পিউটার বন্ধ করে নিজের সন্তানকে একবার বলুন, পরের বিশ মিনিট শুধু আমরা দুজন গল্প করবো। কী করবো এখন আমরা দুজন? তাকেই ঠিক করতে দিন। পৃথিবীজুড়ে শিশুদের নাকাল হওয়ার তো শেষ নেই, কিন্তু এই বিশ মিনিটের জন্য তাকে প্রাধান্য দিন এবং তাকেই জিততে দিন। চাপা হাসি মনের তিক্ততা, বিদ্বেষ আর অশান্তি দূর করে। তাই তাকে আশ্বস্ত করুন নিরীহ খেলা ও হাসির মাধ্যমে। বালিশ দিয়ে মারামারি খেলুন, কুস্তি করুন, পাশাপাশি শুয়ে থাকুন। তাকে ছোটাছুটি করতে, চেঁচামিচি করতে, তার প্রিয় কাজগুলো করতে দিন। তার সব অনুভূতিগুলোকে আদর দিন। নিজের শতভাগ তাকে দিন। শিশুরা যখন জানবে, প্রতিদিন তাদের বাবা-মায়ের কাছে তারা একটা নির্দিষ্ট বিশেষ সময় পাবে খেলাধুলা করার জন্য, সেটা তাদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে, তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে সাহায্য করবে এবং সেটা তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করবে। (সংগৃহীত)