Posts

Showing posts with the label blog

ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে তাকওয়ার গুরুত্ব!

Image
"সা‘ঈদ আল-খাতির" বইতে ইবন আল-জাওযি কিছু অসাধারণ কথা বলেছেন: "অনেক 'আলিমকেই কাছ থেকে দেখেছি। উনাদের একেক জনের জ্ঞানের গভীরতা ছিল একেক রকম। তাঁদের পারিপার্শ্বিক অবস্থাও ছিল ভিন্ন। এঁদের মধ্যে যাঁরা তাঁদের জ্ঞানানুযায়ী কাজ করেছেন তাঁদেরকেই আমার কাছে সবচেয়ে কল্যাণকর মনে হয়েছে। অন্যান্য অনেক 'আলিমদের থেকে হয়তো তাঁদের জ্ঞান কম ছিল, কিন্তু তারপরেও এঁদেরকেই সবচেয়ে ভালো মনে হয়েছে। হাদীস বিশেষজ্ঞ একদল বিদ্বানদের সাথে একবার দেখা হয়েছিল। তাঁরা অনেক হাদীস মুখস্থ করেছিলেন; এবং এগুলোর অনুপুঙ্খ বর্ণনাতে পারদর্শী ছিলেন। কিন্তু এরপরও তাঁরা জার্‌হ ও তা‘দিল (বর্ণনাকারীদের সমালোচনাবিদ্যা)-এর অজুহাতে পরনিন্দাকে অনুমতি দিতেন। অর্থের বিনিময়ে হ়াদীস় বর্ণনা করতে তাঁরা। (লোকের চোখে) নিজের সম্মান ও মর্যাদা হারানোর ভয়ে তড়িঘড়ি করে তাঁরা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতেন। এমনকি যদি সেই উত্তর ভুল হতো, তবুও। 'আবদ আল-ওয়াহহাব আল-আনমাতি নামের একজন 'আলিমকে পেয়েছিলাম, যাঁর আচারব্যবহার ছিল পূর্বসূরিদের (সালাফ) মতো। হাদীস বর্ণনার জন্য তাঁর জমায়েতগুলোতে কখনোই অন্যের দুর্নাম শোনা যায়নি। অর্থের জন্য ত...

স্বলাতুল ইসতিস্কা বা বৃষ্টি প্রার্থনার নামাজ পড়লেই যে সাথে সাথে বৃষ্টি হবে বিষয়টি এমন নয়!

Image
গতকাল, গতপরশু এবং আজও দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বলাতুল ইসতিস্কা বা বৃষ্টি প্রার্থনার নামাজ পড়া হয়েছে/হচ্ছে। স্বলাতুল ইসতিস্কা পড়ার সাথে সাথেই বৃষ্টি নাও হতে পারে, বরং কখনও কখনও দুই একদিন পরেও বৃষ্টি হতে পারে, অথবা দূরে কোথায়ও কিছু বৃষ্টিপাত হতেও পারে। তবে তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়া, হালকা বাতাস বয়ে যাওয়া, আকাশ কিছুটা মেঘলা থাকাসহ ইত্যকার কিছু পরিবর্তন আসাটা একান্তই স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত। কিন্তু সমস্যা হলো, কিছু ভায়েরা ধরেই নিয়েছিলেন স্বলাতুল ইসতিস্কা পড়ার সাথে সাথেই ঝরঝর করে বৃষ্টি নামবে এবং এতে করে সেক্যুদের একহাত নিতে পারবেন অথবা পরাজিত করে ফেলবেন। অনেকের আবার খুবই মন খারাপ কেনো বৃষ্টি এলো না, সেক্যুদের নাস্তানাবুদ করার একটি বিশাল মওকা হাতছাড়া হয়ে গেলো। এসব নিয়ে আবেগী মুসলিম যুবসমাজ এবং বিপরীতে নব্য ইরতিদাদে আক্রান্ত সেক্যুপাড়া এই ইস্যুতে যেভাবে বিভিন্ন ন্যারেটিভ তৈরি করছেন তা খুবই অস্বস্তিকর। বিশেষত, দ্বীনী ভায়েরা ইসলামকে সেক্যুলারিজমের মুখোমুখি দাঁড় করানোকে আমি মোটেই সমর্থন করছি না। সেক্যুলারিজমের মত থার্ড/ফোর্থক্লাশ একটি দর্শন ইসলামের সামনে দাঁড়ায় কিভাবে!!! দর্শনগতভাবে সেক্যুলারিজম...

প্রতিদিন সন্তানের সঙ্গে আর্দশ সময় কাটান

Image
মোবাইল বন্ধ করে, কম্পিউটার বন্ধ করে নিজের সন্তানকে একবার বলুন, পরের বিশ মিনিট শুধু আমরা দুজন গল্প করবো। কী করবো এখন আমরা দুজন? তাকেই ঠিক করতে দিন। পৃথিবীজুড়ে শিশুদের নাকাল হওয়ার তো শেষ নেই, কিন্তু এই বিশ মিনিটের জন্য তাকে প্রাধান্য দিন এবং তাকেই জিততে দিন। চাপা হাসি মনের তিক্ততা, বিদ্বেষ আর অশান্তি দূর করে। তাই তাকে আশ্বস্ত করুন নিরীহ খেলা ও হাসির মাধ্যমে। বালিশ দিয়ে মারামারি খেলুন, কুস্তি করুন, পাশাপাশি শুয়ে থাকুন। তাকে ছোটাছুটি করতে, চেঁচামিচি করতে, তার প্রিয় কাজগুলো করতে দিন। তার সব অনুভূতিগুলোকে আদর দিন। নিজের শতভাগ তাকে দিন। শিশুরা যখন জানবে, প্রতিদিন তাদের বাবা-মায়ের কাছে তারা একটা নির্দিষ্ট বিশেষ সময় পাবে খেলাধুলা করার জন্য, সেটা তাদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে, তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে সাহায্য করবে এবং সেটা তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করবে। (সংগৃহীত)

ধূর্ত 'আবূ হাজম' প্রসঙ্গে দুটো কথা

Image
▌ধূর্ত 'আবূ হাজম' প্রসঙ্গে দুটো কথা...  ফেসবুকের উচ্চবংশের নিম্নশ্রেণীর কির্বোড সন্ত্রাসী জনাব আবূ হাযমকে আপনারা চিনেন। নিজের চরমপন্থি মানহাজ, আদবহীনতা ও উগ্রতার কারণে দেশের আহলে হাদীস সমাজের কাছে ব্যাপকভাবে সমালোচিত ও নিন্দিত হয়েছে। তবে তার যেসব সমস্যার ব্যাপারে এখনো কাউকে বলতে দেখিনি সেটা হচ্ছে, সে ইদানিং তার ফেসবুক পেজটাকে কাজে লাগায় স্রেফ তার সাথে যাদের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব আছে তাদের বিরুদ্ধে আক্রোশ ও বিদ্বেষ উগড়ে দিতে, এবং সে এটা করে তাদেরকে খোঁচা মেরে নানান কথাবার্তা বলার মাধ্যমে। অন্যদিকে একই বিষয়েই সে শাইখ আবূ বকর যাকারিয়া (হাফিযাহুল্লাহ)-এর সমালোচনা করে না। অথচ তার মতে শাইখ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বিশুদ্ধ আক্বীদাহ ও মানহাজের ইলমধারী ব্যক্তি। তাহলে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করার ক্ষেত্রে শাইখেরই কি প্রধান ভূমিকা পালন করা উচিত না? সে হয়তো বলবে সে ব্যক্তিগতভাবে শাইখকে এসব বিষয়ে নাসীহাত করেন, সেক্ষেত্রে কথা হচ্ছে, শাইখ কি তার নাসীহাত গ্রহণ করছেন? শাইখকে আমরা একাধিকবার একাধিক সময়ে কতিপয় এমন কাজ করতে দেখেছি, যেসবের কারণে আবূ হাযম অন্যদের উগ্র সমালোচনা করে, কিন্তু শাইখের ক...

পড়ো ৪ বইটি গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ | Poro Part 4

উটের রক্ত এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন তা প্রচুর পরিমাণে পানি ধরে রাখতে পারে। উট যখন একবার পানি পান করা শুরু করে, তখন এটি প্রায় ১৩০ লিটার পানি, অর্থাৎ প্রায় তিনটি গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্কের সমান পানি, ১০ মিনিটের মধ্যে পান করে ফেলতে পারে। এই বিপুল পরিমাণের পানি অন্য কোনো প্রাণী পান করলে রক্তে মাত্রাতিরিক্ত পানি গিয়ে অভিস্রবণ চাপের কারণে রক্তের কোষ ফুলে-ফেঁপে একদম ফেটে যেত। কিন্তু উটের রক্তের কোষে একটি বিশেষ আবরণ আছে, যা অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে পারে। এই বিশেষ রক্তের কারণেই উটের পক্ষে একবারে এত পানি পান করা সম্ভব হয়। . উটের চোখে দুই স্তর পাপড়ি রয়েছে। যার কারণে মরুভূমিতে ধূলিঝড়ের মধ্যেও তা চোখ খোলা রাখতে পারে। এই বিশেষ পাপড়ির ব্যবস্থা সানগ্লাসের কাজ করে মরুভূমির প্রখর রোদের থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং চোখের আর্দ্রতা ধরে রাখে। একইসাথে এটি বিশেষভাবে বাঁকা করা যেন তা ধুলোবালি আটকে দিতে পারে। . উটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা হলো কাঁটাযুক্ত গাছপালা চিবানোর ক্ষমতা, যা অন্য কোনো প্রাণীর নেই। বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস এটি সাবাড় করে দিতে পারে। অন্য কোনো প্রাণী হলে ক্যাকটাসের কাঁটার আঘাতে মাড়ি, গাল, জিভ ক্ষতবিক্...

কারবালা : বাস্তবতা বনাম কল্পকথা

Image
কারবালা  কারবালার সত্য ইতিহাস নিয়ে আগ্রহী থাকেন অনেকেই। বইয়ের গ্রুপে বেশ কয়েকবারই কারবালা নিয়ে সত্যনিষ্ঠ বইয়ের খোঁজ নিতে দেখেছি আমরা। কারবালা নিয়ে প্রচুর মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আছে। বাস্তবতার চেয়ে কাল্পনিক গালগল্পের পরিমাণই বেশি। তাই শক্ত দলিল নির্ভর "কারবালা : বাস্তবতা বনাম কল্পকথা" বইটি আপনাকে দেবে কারবালার সত্য ইতিহাসের সন্ধান।

চিন্তাপরাধ বইয়ের পূজারি ও পূজিত অধ্যায় | Chintaporadh

Image
একেবারে শুরু থেকেই কাদিয়ানিদের বিরোধিতা করে আসছেন উপমহাদেশের আলিমগণ। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যানারে কাদিয়ানি-বিরোধী আন্দোলন করেছেন বাংলাদেশের আলিমরাও। কিছুদিন আগেও ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারিতে কাদিয়ানিরা পঞ্চগড়ে ‘জলসা’ এবং ‘মহাসমাবেশ’ করার উদ্যোগ নিলে এর তীব্র বিরোধিতা করে বাংলাদেশের আলিমগণ আবারও কাদিয়ানিদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কথা বলেন।  বই : চিন্তাপরাধ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ আন্দোলনের মূল দাবি হলো, রাষ্ট্রীয়ভাবে কাদিয়ানিদের কাফির ঘোষণা করা, তাদের প্রকাশনা ও প্রচারণা নিষিদ্ধ করা, কাদিয়ানিদের জন্য ইসলামী পরিভাষা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা (যেমন : কাদিয়ানিদের উপাসনার জায়গাকে ‘মসজিদ’ না বলে ‘উপাসনালয়’ বলা)। ২০১৩ তে প্রকাশিত হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফার ৬ নম্বর দাবিটিও ছিল কাদিয়ানিদের নিয়ে। এ দাবিতে বলা হয়, ‘সরকারিভাবে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের প্রচারণা ও ষড়যন্ত্রমূলক সব অপতৎপরতা বন্ধ করা।’  বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ এবং সুশীলদের তরফ থেকে বিভিন্ন সময়ে আলিমদের এ দাবিগুলোর সমালোচনা ও বিরোধিতা করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য হলো, কাদিয়ানিরা যদি নিজেদের মুসলিম মনে করে, তাহলে তাদের আত্মপরিচয় পরিবর্তন করার...

জামায়াতে ইসলামে কি? আমরা কেন জামায়াত করি?

Image
আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) কে মূলত যে কাজটি করার জন্য দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন তা কুরআনের তিনটি সূরায় স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, “তিনিই সে মহান সত্তা (আল্লাহ) যিনি তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও আনুগত্যের একমাত্র সত্য বিধান (দ্বীনে হক) সহ পাঠিয়েছেন, যেন (রাসূল) তাকে (ঐ বিধানকে) আর সব বিধানের উপর বিজয়ী করেন।” (সূরা আত্‌ তাওবা : ৩৩, সূরা আল ফাত্‌হ : ২৮, সূরা আস সাফ : ৯) জামায়াতে ইসলামী কি? আমরা কেন জামায়াত করি? রাসূল (সা.) আল্লাহ্‌র দ্বীনকে কায়েম করেই এ দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, আইন, শাসন, বিচার, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি সব ক্ষেত্রেই তিনি আল্লাহ্‌র বিধানকে চালু করে প্রমাণ করেছে যে, ইসলামই দুনিয়ার জীবনে শান্তির একমাত্র উপায়। তাই দ্বীন ইসলাম কায়েমের দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সাহাবায়ে কিরামও রাসূল (সা.)-এর সাথে এ দায়িত্বই পালন করেছেন। মুসলিম হিসেবে আমাদের সবারই এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা কর্তব্য। এ দায়িত্ব অবহেলা করে আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি হাসিল করা কিছুতেই সম্ভব নয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মুসলিদেরকে তাদের এই দায়িত্বের ব্য...

ইসলামের চার মহীয়সী নারীকে নিয়ে নতুন বই

Image
চার মহীয়সী নারীকে নিয়ে নতুন বই এবারের বইমেলায় দারুত তিবইয়ানের চমক: মহীয়সী নারী সিরিজ। এই সিরিজটি শুরু হচ্ছে চার জন মহীয়সী নারীর জীবনী দিয়ে। খাদিজা, আয়েশা, ফাতেমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুন্না, এবং মারইয়াম (আ.)। প্রথম দুজন নবীজি (সা.)-এর প্রিয় সহধর্মিণী, তৃতীয়জন তাঁর প্রিয় মেয়ে এবং তৃতীয় জন ঈসা (আ.)-এর মা। চার জনকে নিয়েই দারুত তিবইয়ান এবারের বইমেলায় নিয়ে আসছে চারটি চমৎকার বই: . 👉🏻 উম্মুল মুমিনিন মহীয়সী খাদিজা রাদি. — ইবরাহিম মুহাম্মাদ হাসান এবং এনামুল করীম ইমাম রচিত এই বই থেকে জানতে পারবেন খাদিজা (রাদ্বি.)-এর জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত। তাঁর কুরবানির সুদীর্ঘ, উদ্দীপ্ত ইতিহাস, দাওয়াতি কাজে নবীজির পাশে দাঁড়ানোর গল্প সহ অনেক গল্প।  . 👉🏻 উম্মুল মুমিনিন মহীয়সী আয়েশা রাদি. — নবীজির একমাত্র কুমারী স্ত্রী আয়েশা। তাঁর জন্ম, শিক্ষা, বিয়ে, ইসলামের জন্য ত্যাগস্বীকার, জ্ঞানের গভীরতা সহ ইত্যাদি উঠে এসেছে বইটির লেখক শাইখ সাঈদ রামাদান আল-বুতির কলমে। . 👉🏻 মহীয়সী ফাতেমা রাদি. — শাইখ আবদুর রউফ আল-মুনাবি রচিত এই গ্রন্থে উঠে এসে নবীজির প্রিয় কন্যা ফাতেমা রাদি. এর জীবন ও গল্প। আলী (রাদ্বি.)-এর সাথে তার স...

এক জাহান্নামির গল্প | বিলাসী জীবন

Image
কিয়ামতের দিন হাজির করা হবে এমন এক ব্যক্তিকে যিনি দুনিয়াতে সবচেয়ে বিলাসী জীবন যাপন করেছে তখন ফেরেশতাদেরকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহ তাআলা বলবেন, ‘তাকে জাহান্নামের আগুনে একবার চুবিয়ে আনো।’ . ফেরেশতারা স্রেফ একবার ওই ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুনে চুবিয়ে আনবে। এরপর আল্লাহ তাআলা তাকে জিজ্ঞাসা করবেন, ‘ওহে আদম সন্তান! তুমি কি জীবনে কখনো কোনো অনুগ্রহ পেয়েছিলে? চক্ষু শীতলকারী কোনো কিছু কি কখনো তোমার নজরে পড়েছিল? তুমি কি কখনো সুখ অনুভব করেছিলে?’  . সে আদম সন্তান বলবে, ‘আপনার সম্মান ও প্রভাব-প্রতিপত্তির কসম! এসবের কোনো কিছুই আমি আমার জীবনে পাইনি।’  . এরপর আল্লাহ ফেরেশতাদের বলবেন, ‘তাকে পুনরায় জাহান্নামে নিয়ে যাও।’  . তারপর এমন এক ব্যক্তিকে হাজির করা হবে—যে দুনিয়াতে সবচেয়ে বেশি দুঃখ-কষ্ট ভোগ করে এসেছে। ফেরেশতাদেরকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহ তাআলা বলবেন, ‘তাঁকে একবার জান্নাতে ঢুকিয়ে নিয়ে আসো।’ . একবার জান্নাতে ঢুকিয়ে নিয়ে আসা হলে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হবে, ‘তুমি কি সারাজীবনে অপছন্দনীয় কোনো কিছু দেখেছো?’  . সে ব্যক্তি বলবে, ‘না! আপনার সম্মান ও প্রভাব-প্রতিপত্তির কসম! সারাজীবনে অপছন্দনীয় কোনো কিছুই...

এক কলেমায় রুটি রুজি আর এক কলেমায় ফাঁসি!

Image
এই কলেমার দাওয়াত দিতে গিয়েই নবী মুহাম্মদ (স) সাড়ে তিন বছর জেল খেটেছিলেন। এই কলেমার দাওয়াত দিতে গিয়েই নবী (স) র°ক্তাক্ত হয়েছিলেন। এই কালেমার দাওয়াত দিতে গিয়েই নবী (স) নিজের জন্মস্থান ছেড়ে হিজরত করেছিলেন। এই কালেমার দাওয়াত দিতে গিয়েই ওহুদের ময়দানে ৮০/৮৫ জন সাহাবী (রিদওয়ানিল্লাহি আলাইহিম আজমাইন) জীবন দিয়েছিলেন। আমাদের মাজহাবের সম্মানিত ইমাম আবু হানিফাকে (র) কি ই°হুদীরা হ°ত্যা করেছিল? না! বরং ১৫০ হিজরীতে মাত্র ৬৭ বছর বয়সে (কারো কারো মতে বিষপ্রয়োগে) তাকে হ°ত্যা করেছিল তথাকথিত মুসলিম শাসক আল মানছুর। আল মানছুরের কলেমা কি ছিল?? ইমাম আবু হানিফার (র) থেকে আলাদা কিছু কি ছিল?  শাইখুল ইসলাম ইমাম আহমদ বিন হাম্বলকে (র) বছরের পর বছর কারাগারে নিয়ে নির্মম নি°র্যাতন চালানো হয়েছে, আঘাতের পর আঘাতে তার শরীর থেকে র°ক্ত ঝড়ানো হয়েছে। ইমাম আহমদ হাম্বল (র) এর উপর কে এই নি°র্যাতন করছে? কোন বিধর্মী? না! তাকে নি°র্যাতন করেছে তথাকথিত মুসলিম শাসক মুতাসিম ও মুতাসিক। তাদের কলেমা কি ছিল? আলাদা কি কিছু ছিল? বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম নেতা শহীদ সাইয়েদ কুতুবকে (র) হ°ত্যা করা হয়েছিল। তাকে হ°ত্যা কোন বিধর্মীরা করেনি।...

হ্যাঁ, তীর চিহ্নিত জায়গাটায় আপনি ব্যবসা করেন! - আরিফ আজাদ

Image
কটকটে হলুদ রঙের যে বি-শা-ল গোলাকার বস্তুটা আপনি দেখতে পাচ্ছেন সেটা হলো সূর্য যা প্রতিদিন আপনার বাড়ির পূর্বে ওঠে আর পশ্চিমে অস্ত চলে যায়। তার নিচে তীর চিহ্নিত যে গোলাকার বস্তুটা আছে, সেটা হলো পৃথিবী যেখানে আমি, আপনি— আমরা সকলে বাস করছি। শুধুমাত্র ছবির রেজুলেশানেই আপনি সম্ভবত আঁচ করতে পারছেন যে— বিশাল আকৃতির সূর্যের তুলনায় আমাদের পৃথিবী কতো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র। তবু জানিয়ে রাখা ভালো— সূর্যের আকৃতি এতো বি-শা-ল যে— ১ মিলিয়ন পৃথিবী এর মধ্যে অনায়াসে ঢুকিয়ে রাখা যাবে! আপনি নিশ্চয় মাথা চুলকে ভাবতে চেষ্টা করছেন কতো বিশাল আকৃতি এই সূর্যের, তাই না? একটু থামুন! আপনি জেনে বিস্মিত হবেন— মহাবিশ্বে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় নক্ষত্র হলো UY SCUTI যেটা ব্যাসার্ধের দিক থেকে আমাদের সূর্যের চেয়ে ১৭০০ গুণ বড়। মানে— সেই UY SCUTI এর মধ্যে ৫ বিলিয়ন (মিলিয়ন নয় কিন্তু) সূর্য অনায়াসে ঢুকে পড়তে পারবে! মহাবিশ্বের যে ক্ষুদ্রতম অংশ আমরা জানতে পেরেছি তার খুব সংক্ষিপ্ত অংশের আলোচনা এটা৷ এর বাইরে পড়ে আছে কতো বিস্তৃত রহস্য, কতো অনুদঘাটিত ব্যাপারাদি তা মানবমস্তিষ্ক কল্পনাও করতে পারে না। এ বিশাল মহাবিশ্বের বিস্তৃতির সীমা...

মাহফুজ স্যার - তত্ত্ব ছেড়ে জীবনে - লেখক শরীফ আবু হায়াত অপু

Image
     | মাহফুজ স্যার | অনেকক্ষণ ফার্মগেটে দাঁড়িয়ে আছি, খুব চেষ্টা করছি বিরক্ত না হওয়ার জন্য কিন্ত পারা যাচ্ছে না। রাস্তার দিকে চেয়ে আছি তো আছিই, মোহাম্মদপুর যাওয়ার কোনো বাসের দেখা নেই। বাসায় বাবা না খেয়ে অপেক্ষা করছেন আমার জন্য, ভাঁড়ারের চাবি আমার কাছে, বাসায় যাব তবেই ভাত রান্না হবে। এদিকে ফোনের পরে ফোন, তাড়াতাড়ি আয়।  হঠাৎ দেখি এক পাগড়িপরা লম্বা দাড়ির ভদ্রলোক মোটরসাইকেল ধীর করে বাস কন্ডাক্টরদের মতো হাঁকছেন—মোহাম্মদপুর, মোহাম্মদপুর। তড়িৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে বললাম, জী আমি যাব। উনি এগিয়ে বসে পেছনে জায়গা করে দিলেন। পরিচয় হলো—উনার নাম মাহফুজ, পেশায় শিক্ষক। পরিচিত হওয়ার পরেই ইতস্তত একটা ভাব চলে এল, এমন একজন মানুষকে টাকাটা দিই কীভাবে... শেষে দ্বিধা ঝেড়ে জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, আচ্ছা স্যার, আপনি এভাবে আমাকে ডেকে নিলেন কেন? উনি যা বললেন তার সারমর্ম: আল্লাহ বলেছেন, তোমরা জমিনবাসীদের উপর দয়া করো তাহলে আমি (আল্লাহ) তোমাদের উপর দয়া করব। অনেক সামর্থ্যতো নেই যে আমি মানুষের অনেক সেবা করব, তবে যতটুকু সম্ভব তাই করার চেষ্টা করি। যেমন: আমি ফাঁকা মোটরসাইকেলে করে বাসায় যাচ্ছি, এখন একটা মানুষ যদি আ...

ফিলিস্তিন-সমস্যা নিয়ে আমরা কেন পর্যালোচনা করব?

Image
ফিলিস্তিন-সমস্যা নিয়ে আমরা কেন পর্যালোচনা করব? ফিলিস্তিন-সমস্যা প্রথমত আমাদের আকিদা-বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তার অর্থ হলো, আকিদা ছাড়া যেমন মুসলমান বাঁচতে পারে না, তেমনই ফিলিস্তিন ছাড়াও মুসলমান বাঁচতে পারে না। ইহুদিরাও দাবি করে যে, ফিলিস্তিন তাদের ভূমি! তারা ফিলিস্তিনভূমিতেই জেঁকে বসে আছে, অন্য কোনো ভূমি তারা পছন্দ করে না। কারণ, তাদের মতে ফিলিস্তিনের সঙ্গে তাদের বিশ্বাসও জড়িয়ে আছে। তাদের দাবি, ‘এ ব্যাপারে আমাদের তাওরাত গ্রন্থে সুস্পষ্ট আলোচনা এসেছে’। অথচ তাওরাত বিকৃত গ্রন্থ। তাতে বহু সমস্যা রয়েছে। তদুপরি তারা তাদের দাবিতে অটল রয়েছে। আমরাও বলি যে, ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের সঙ্গে আমাদেরও আকিদা-বিশ্বাস জড়িয়ে আছে। সুতরাং এখানে দুই আকিদার দ্বন্দ্ব; একটি হলো বিশুদ্ধ ইসলামি আকিদা, যার মাধ্যমে সকল ধর্মের সমাপ্তি হয়েছে; অন্যটি হলো বিকৃত আকিদা। মুসলিম-অমুসলিম সকলেই জানে যে, মুসা আ.-এর পর তাওরাত ও ঈসা আ.-এর পর ইনজিল বিকৃতির শিকার হয়েছে এবং এ প্রসঙ্গে অসংখ্য গ্রন্থ রচিত হয়েছে। পক্ষান্তরে আমরা প্রমাণাদি এবং সুস্পষ্ট দলিলের ভিত্তিতে বলি যে, ফিলিস্তিন-সমস্যা আমাদের আকিদা-বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমরা দলিলব...

একজন ভালো বন্ধু ঠিক আতর-দোকানির মতো!

Image
ভালো বন্ধু আপনার জীবনে খুব সূক্ষভাবে ভূমিকা রাখে। ঠিক আতর-দোকানির মতো; আতরের দোকানে গিয়ে কোনো আতর না কিনেও আপনার গায়ে সুগন্ধ মিশে যাবে। ভালো বন্ধুও আপনার ব্যক্তিত্বে তার ভালো গুণের প্রভাব রেখে যাবে। আত্মবিশ্বাসের দিক থেকে বললে—একজন ভালো বন্ধু জীবন নিয়ে আপনাকে সবসময় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ভাবতে শেখাবে, অনুপ্রাণিত করবে এবং আপনার নিজের মধ্যে আপনার নিজের ব্যাপারে ভালো অনুভূতি জাগ্রত করবে। আপনার যদি এমন বন্ধু থেকে থাকে, তা হলে কখনো এদের সঙ্গ ছাড়বেন না। আর যদি না থাকে, আমি দ্রুত এমন কাউকে খুঁজে নিতে ব লব। কারণ, তারা আপনার আত্মবিশ্বাস শতগুণে বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকের জীবনসঙ্গীই তাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আপনার আত্মবিশ্বাসের ক্ষেত্রে হয়তো বন্ধুর চেয়ে জীবনসঙ্গীর প্রভাবই অনেক বেশি। আপনার স্বামী/স্ত্রী যদি ভালো না হন, তারা আপনার আত্মবিশ্বাসের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারেন। একজন ভালো জীবনসঙ্গী আপনাকে আপনার আসল প্রতিভার সন্ধান করিয়ে দিতে পারে। কাজেই জীবনসঙ্গী নির্বাচনে হোন সতর্ক। ভালো সঙ্গ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, আবার খারাপ সঙ্গ খুব জঘন্য হতে পারে আপনার আত্মবিশ্বাসকে ধ্বংস করার জন্য। একজন কামারের মতো, তার কা...

ব্রাজিলে ইসলাম: এক করুণ ইতিহাস

Image
ব্রাজিলে ইসলাম: এক করুণ ইতিহাস ১৮৬০ সালে বাগদাদের ইমাম আব্দুর রহমান আফেন্দী ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো সমুদ্র বন্দরে নামেন। এই বন্দরে আসাটা তাঁর পূর্ব-প্ল্যান ছিলো না। সমুদ্রের মধ্যে তাঁর জাহাজ ঝড়ের কবলে পড়ে পথ হারিয়ে ফেলে। পথ হারানো জাহাজ ব্রাজিলের বন্দরে গিয়ে আশ্রয় নেয়।  সম্পূর্ন অজানা পরিবেশে মুসলিমদের একটি দল এসেছে। এই বন্দরে কেউ তাদের পরিচিত নেই। এখানকার স্থানীয় মানুষ কেমন সেটা তারা জানে না। তাদেরকে যদি কিডন্যাপ করে সবকিছু ছিনিয়ে নিয়ে যায়, তাদের কিছুই করার নেই। তাদেরকে যদি মেরে ফেলে, তবুও তারা কয়জন মিলে আর কী প্রতিরোধ করবে? ইমাম আব্দুর রহমান আফেন্দী দেখলেন তাদেরকে দেখে কিছু লোক এগিয়ে আসছে। বিপদগ্রস্ত কাফেলা বুঝতে পারছে না স্থানীয় লোকেরা তাদের সাথে কেমন ব্যবহার করবে।  স্থানীয় লোকেরা সমুদ্র বন্দরে আশ্রয় নেয়া কাফেলার লোকদের দেখে নিলো। তাদের পরনের কাপড়, দাড়ি, পাগড়ি দেখে তাদের বুঝতে বাকি নেই যে, এই বিপদগ্রস্ত কাফেলার লোকেরা মুসলিম।  রিও ডি জেনিরোর অধিবাসীরা সালাম দিলো- ‘আসসালামু আলাইকুম’। আব্দুর রহমান আফেন্দীর চক্ষু চড়কগাছ। তিনি যেনো নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। এই অদ...

উন্নত দেশ জাপান সম্পর্কে ১০ রকমের তথ্য যা আপনাকে মুগ্ধ করবে!

Image
প্রযুক্তিগত দিক থেকে যেমন গোটা বিশ্বে জাপানিদের সুনাম, তেমনি শিল্প সাহিত্যে, চিত্রকলা সহ নানা ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় তাদের অভাবনীয় বিচরণ। জাপানের চলচ্চিত্র অস্কার পেয়েছে, বিশ্ব সেরা ৫ ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রির মধ্যে একটি জাপানিজ ফিল্ম ইণ্ডাষ্ট্রি, সাথে দারুণ এনিমে জগত আছেই। আবার জানেন কি? পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের তালিকায় মাফিয়ার পরেই আছে জাপানের ভয়ংকর ইয়াকুজাদের স্থান! এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নোবেল পাওয়া দেশও এটি। এমন একটি মেধাবী জনগণবহুল রাষ্ট্রের প্রতি প্রায় সবার স্বভাবতই আকর্ষণ রয়েছে। জাপান যেমন উন্নত, ধনী ও সমৃদ্ধ দেশ, তেমনি অদ্ভুত বটে! এ দেশের মানুষের সংস্কৃতি ও আচার ব্যবহারে রয়েছে অন্যরকম বৈশিষ্ট্য। তাহলে চলুন আরও কিছু জেনে নেই, জাপান সম্পর্কে ১০ রকমের তথ্য যা আপনাকে মুগ্ধ করবে! ১. জাপানি বুলেট ট্রেন পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী ও সময়ানুবর্তিতা সম্পন্ন যানবাহন। গড়ে ১৮ সেকেন্ড দেরী হয় ট্রেনগুলো এবং দেরী হওয়ার বিষয়টি তাদের জন্য খুবই লজ্জাজনক। ২. যেসব জাপানি টাইটানিক জাহাজ থেকে বেঁচে ফিরেছিল তাদের আজও কাপুরুষ বলে বিবেচনা করা হয় থাকে। কারণ তারা তাদের সঙ্গীদের...

REJUV SETS: WHAT IS IT, THE GOOD, THE BAD, AND THINGS YOU NEED TO KNOW BEFORE USING

Image
REJUV SETS: WHAT IS IT, THE GOOD, THE BAD, AND THINGS YOU NEED TO KNOW BEFORE USING Over the last two years, Rejuv sets have become immensely popular in the Philippines. I believe one of the reasons why these products boomed is because of social media and the fact that it brought the concept and importance of having a skin care system to the mass market, and made an entire skin care line ridiculously affordable. Before, using an entire skin care line and experiencing its advantages can only be afforded by the rich and middle class, but with Rejuv sets, for as low as P350, you get a day to night skin care range that can fit easily in your pocket and your budget. Today, let's dive deeper into this massively popular skin care trend and products; let's examine the good, the bad, and talk about the things you need to know before using Rejuvenating sets aka REJUV SETS. WHAT IS A REJUVENATING SET? A rejuvenating set is a skin care set comprised of a soap (facial cleanser), toner, day...